গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর কালিয়াকৈরের একটি গভীর জঙ্গল থেকে মশিউর রহমান (৫০) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার মধ্যপাড়া ইউনিয়নের গলাচিপা এলাকার একটি গভীর শালবন থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মশিউর রহমান রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার রাজবল্লভ গ্রামের মৃত মজিদের ছেলে।
তিনি গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর এলাকায় স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং কালিয়াকৈরের একটি পোশাক কারখানায় জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
এলাকাবাসী, নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মশিউর রহমান কারখানার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হন। ওইদিন রাতে তিনি আর বাসায় ফেরেননি। পরে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।
এরপর শনিবার সকালে গলাচিপা এলাকার গভীর শালবনে ছাগল চরাতে গিয়ে এক ব্যক্তি মশিউর রহমানের গলায় রশি প্যাঁচানো অবস্থায় মরদেহ দেখতে পান। পরে বিষয়টি এলাকাবাসী পুলিশকে জানালে দুপুর আড়াইটার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে।
পুলিশ জানায়, মরদেহের পরনে থাকা প্যান্টের পকেট থেকে একটি মোবাইল ফোন এবং মরদেহের পাশে একটি লাল টি-শার্ট ও কীটনাশক উদ্ধার করা হয়েছে। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
গলায় রশি প্যাঁচানো অবস্থায় মরদেহটি মাটিতে বসা অবস্থায় ছিল। ফলে এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে মৃত্যু হয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।
কালিয়াকৈর থানার অপারেশন কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম জানান, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার মধ্যপাড়া ইউনিয়নের গলাচিপা এলাকার একটি গভীর শালবন থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মশিউর রহমান রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার রাজবল্লভ গ্রামের মৃত মজিদের ছেলে।
তিনি গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর এলাকায় স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং কালিয়াকৈরের একটি পোশাক কারখানায় জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
এলাকাবাসী, নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মশিউর রহমান কারখানার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হন। ওইদিন রাতে তিনি আর বাসায় ফেরেননি। পরে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।
এরপর শনিবার সকালে গলাচিপা এলাকার গভীর শালবনে ছাগল চরাতে গিয়ে এক ব্যক্তি মশিউর রহমানের গলায় রশি প্যাঁচানো অবস্থায় মরদেহ দেখতে পান। পরে বিষয়টি এলাকাবাসী পুলিশকে জানালে দুপুর আড়াইটার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে।
পুলিশ জানায়, মরদেহের পরনে থাকা প্যান্টের পকেট থেকে একটি মোবাইল ফোন এবং মরদেহের পাশে একটি লাল টি-শার্ট ও কীটনাশক উদ্ধার করা হয়েছে। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
গলায় রশি প্যাঁচানো অবস্থায় মরদেহটি মাটিতে বসা অবস্থায় ছিল। ফলে এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে মৃত্যু হয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।
কালিয়াকৈর থানার অপারেশন কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম জানান, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক